BJP News : ‘মধ্যবিত্তকে লুঠ করা হচ্ছে’, বিজেপি থেকে ইস্তফার আগে শেষ মন্তব্যে চাঞ্চল্যকর দাবি কেন্দ্রীয় নেতার


নয়াদিল্লি : গত কয়েকদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে চর্চায় বিজেপি নেতা শেহজাদ পুণাওয়ালা। দলের মুখপাত্র হিসাবে জনসমক্ষে তাঁর ইস্তফা ঘোষণার একদিন আগে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তিনি। দেশের মধ্যবিত্তের ওপর আর্থিক বোঝা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, করদাতারা তাঁদের দেওয়া করের বিনিময়ে উপযুক্ত সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন কি না। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের উদ্যোগ ‘দ্য ম্যানিফেস্টো’ (The Manifesto)-র অংশ হিসেবে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে পুনাওয়ালা দাবি করেছেন, মধ্যবিত্তরা সরকারের জন্য কার্যত ‘এটিএম’-এ পরিণত হয়েছে। তারা আয়কর, পরোক্ষ কর ও টোল প্রদান করলেও বিনিময়ে পর্যাপ্ত জনসেবা পায় না।

বিজেপির মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফার কথা জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশের ঠিক আগের দিন পুণাওয়ালা এই মন্তব্যটি করেন। তাঁর পদত্যাগপত্রটি তখনও অনুমোদনের অপেক্ষায়। তিনি জানান যে, ৩০ জুলাই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন এবং নিজের আর্থিক পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভিডিওটিতে পুণাওয়ালা মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং প্রশ্ন তোলেন যে, ইউরোপের সমতুল্য হারে কর প্রদানকারী ভারতীয়রা বিনিময়ে আদৌ সেই মানের জীবনযাত্রা পান কি না।

পুণাওয়ালা বলেন, “দিনের আলোয় ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে লুঠ করা হচ্ছে। যেন এটিএম হয়ে গেছেন।” তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, করদাতারা তাঁদের প্রদত্ত কর ও টোলের বিনিময়ে কী পাচ্ছেন, এ প্রসঙ্গে তিনি ভগ্নদশাগ্রস্ত রাস্তাঘাট, অপর্যাপ্ত স্কুল-কলেজ, জরাজীর্ণ পরিকাঠামো, প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি এবং জবাবদিহিতার অভাবের মতো বিষয়গুলিকে তাঁদের উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, “তাঁরা কর ও টোল দেন, কিন্তু বিনিময়ে কী পান ? বাড়ির সামনে ভাঙাচোরা রাস্তা, নিম্নমানের স্কুল, জরাজীর্ণ পরিকাঠামো, প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জবাবদিহিতার অভাব, আর বিষাক্ত বাতাস ও দূষিত জল।”

তিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সন্তানদের শিক্ষার জন্য পরিবারগুলিকে প্রায়শই বেসরকারি স্কুলের এবং বাবা-মায়ের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের দ্বারস্থ হতে হয়। তাঁর কথায়, “সন্তানকে যখন স্কুলে পাঠানোর প্রয়োজন হয়, তখন তা অনিবার্যভাবেই কোনও বেসরকারি স্কুল হয়। আর বাবা-মাকে যখন হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়, তখনও অনিবার্যভাবেই তা কোনও বেসরকারি হাসপাতালই হয়ে থাকে।” BJP News



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *